অবশেষে রাষ্ট্রপতি কথা বলেছেন

 

                                         জনাব মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন

পড়ুন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সবসময় চুপচাপ থাকে কোন কথা বলে না। এর কারণ কি? আপনারা জানেন যে, দল ক্ষমতায় আসে সেই দল তার মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। এটাই কি কারণ? একটি দেশের রাষ্ট্রপতি সবসময় চুপচাপ থাকবেন।


বাংলাদেশে কেমন রাষ্ট্রপতি চাই?


আমরা বাংলাদেশের নাগরিক জানি যে, বাংলাদেশে একটি সংবিধান আছে, যেখানে লেখা আছে যে, জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস। যদি জনগনই সবকিছুর মালিক হয় তবে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি কেন একটি দল কেন্দ্রিক হবে। আমরা এমন একজন রাষ্ট্রপতি চাই যিনি অন্যায়কে অন্যায় হিসেবে দেখবেন ন্যায়ের পক্ষে কথা বলবেন, কোন দলের হয়ে কথা বলবে না। সে রকম একজন সৎ ও নির্ভিক, এবং চৌকষ একজন রাস্ট্রপতি বাংলাদেশে জন্য চাই। 


কেন বলেছি রাষ্ট্রপতি কথা বলেছেন?


আপনারা জানেন যে, আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ অবসর নেওয়ার পর জনাব মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সাহেব কে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন। কারণ আওয়ামীলীগ কোন অপরাধ করলে যাতে রাষ্ট্রপতি কোন প্রকার কথা বলতে না পারেন সেজন্য তাদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বানিয়েছেন। 


১৫ জুলাই থেকে কোটা আন্দোলনকারীদের যখন নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করতে লাগল তখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি একটি কথাও বলেনি বা কোনরুপ প্রতিক্রিয়া জানাই নি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।


আবার যথন শেখ হাসিনা চলে গেল নতুন অর্ন্তবতী কালীন সরকার গঠন হলো তখন ভারত নতুন করে কারসাজি শুরু করল তখন এক একটি দল তাদের দাবী নিয়ে মাঠে হাজির হলো। এরকম সময় হিন্দুরাও তাদের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে উপস্থিত তখন জন্মঅষ্ঠামীর সময় আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রপতি জনাব  মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সাহেব বললেন এ দেশটা সকলের সকলকে ধর্ম বর্ণ, নির্বিশেষে এ দেশের জন্য কাজ করতে হবে। কথাটা শুনে খুব ভাল লাগল । একজন প্রধানমন্ত্রী বা অর্ন্তবতী কালীন সরকারে কেন সবকিছু দেখবে, রাষ্ট্রপতিরও তো অনেক  দায়িত্ব রয়েছে এদেশের প্রতি।

 

 

তাই পরিশেষে বলতে চাই, আমরা এমন একজন রাষ্ট্রপতি বা সরকার চাই যিনি কোন দলের হয়ে কাজ করবেন না বরং বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবেন এবং আমাদের রাষ্ট্রপতি আর জোরালো ভূমিকা পালন করবেন এই আশায় রইলাম।