বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা উদ্ধারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ দেওয়া প্রয়োজন

বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা উদ্ধারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ প্রয়োজন কারণ হিসেবে আমি বলতে চাই আমি দেখেছি যে, বাংলাদেশে আমিরকিার যে সমস্ত রাষ্ট্রদূতরা এসেছিলেন তারা বারবার শেখ হাসিনাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছিলেন আপনি যেটা করতেছেন সেটা ঠিক না। অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতরা কিন্তু বলেন নি শুধু আমেরিকার রাষ্ট্রদূতরা বলেছিলেন।

 বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে নেতা নির্বাচন করুক, আমেরিকা এটাই চায়

কথাটি বলেছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার

তিনি আরো বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে কোনও বিশেষ দলকে সমর্থন করে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। মিলার বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের ফলাফলকেও প্রভাবিত করতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু শেখ হাসিনা সেই সমস্ত কথা কখনও কর্ণপাত করেন নি।

কেন শেখ হাসিনা আমেরিকার কথা শুনেন নি?

আপনারা দেখেন যে আমাদের এই বাংলাদেশে যেসমস্ত মেঘা প্রকল্পগুলো রয়েছে সেগুলোতে  চীন, রাশিয়া, এবং ভারতের স্বার্থ ছিল কারণ এখানে তাদের দেশের শ্রমিকরা বেশী কাজ করতঃ সেজন্য তারা শেখ হাসিনার যে কোন সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোন প্রকার মতামত প্রকাশ করেননি। আর শেখ হাসিনা মনে করেছিল যে, চীন, রাশিয়া, ভারত তিনটি অনেক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র আমি তো তাদের সঙ্গে আছি সেখানে আমিরিকা আর কি বলল সেটা নিয়ে তার কোন মাথা ব্যাথা ছিল না। কিন্তু এখানে আমিরিকার কোন স্বার্থ ছিলনা। আমিরিকা একটি জবাবদিহি ও ন্যয় প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনাকে বলে আসছিল।




 

                                                     শেখ হাসিনা ও জো বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রেরগণতন্ত্র চর্চা বাংলাদেশে চালু রাখা দরকার

আপনারা জানেন যে জো বাইডেন আমিরিকার ৪৬তম রাষ্ট্রপতি। তাঁর বয়স প্রায় ৮০ বছর। তিনি যখন
দেখলেন যে  আমিরিকার নির্বাচনের জন্য তিনি ফিট না তিনি কিন্তু তার ক্ষমতা তার ছেলের হাতে না দিয়ে তার দলের একজন সদস্য কমলা হ্যারিস এর হাতে তুলে দিলেন। তিনি ক্ষমতার লোভ করলে হয়তবা তার ছেলেকেই দিতেন। কিন্তু তিনি তাঁর দেশের কথা চিন্তু করে এই সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাংলাদেশে দেখেন প্রথম কারো বাবা, স্বামী তার পর তাদের স্ত্রী, কন্যা এখন তাদের সন্তানরাও দলের প্রধান হয়ে কাজ করতে চায়। যেখানেই ক্ষমতার লোভ, লালসা, অহংকার থাকবে সেখানেই দুর্নীতি, ও হতাশা কাজ করবে।

 

                                                    কমলা হ্যারিস এবং জো-বাইডেন

তাই আমি বাংলাদেশে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বলতে চাই বাংলাদেশে অবশ্যই গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য ভাবতে হবে এবং দেশকে বাঁচাতে হবে।