বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ কেন ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য?
অবশ্যই ছাত্র সমাজ ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পথচলা শুরু করে। কিন্তু তারওপূর্বে বাংলাদেশ একটি পরাধীন রাষ্ট্র ছিল। যাহা উদ্ধারের জন্য এই ছাত্র সমাজ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে নিজের মাতৃভাষাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়।
1971 সালে মুক্তিযুদ্ধের ছবি
কিন্তু পরবর্তীতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশে জাতিগত বিভক্ত তৈরি হয়। যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসেছে তখন সেই তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।এখানে কথা বলার অধিকার সকলের আছে। কিন্তু যে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় থাকে তাদের কথা না শুনলে বা তাদের শুরে কথা না বললে তার যে কোন তকমা লাগিয়ে জোর জুলুম বা অত্যাচার করত। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ২০২৪ সালে এসে আবারো নতুন করে বাক স্বাধীনতার যে লড়াই সে লড়াইয়ে বাংলার দামাল ছেলেমেয়েরা জয়ী হল।
2024 সালে বাক স্বাধীনতা বিজয় উল্লাসে ছাত্ররা
বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীরা জয়ী হয়েও ক্রান্ত হননি। তারা তাদের মেধা শক্তি ও সাহসের সঙ্গে বাংলাদেশের সকল সেক্টরগুলো ভালভাবে পরিচালনা করতেছে।
বাংলাদেশের বড় বড় রাজনৈতিক দল যেটা করতে পারে নাই এই ছাত্র সমাজ সেটা করেছে। বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করতেছে, বাজার মনিটরিং, চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রনসহ নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনা করতেছে।
তাইতো সামিনা চৌধুরীর সেই বিখ্যাত গান মনে পড়ে যায়-
“পুরাতন শেষ হয়ে নতুন জন্ম নেবে
এই তো জগতের রিতী
নবীন এলে পড়ে প্রবীন যাবে চলে,
রেখে যাবে কিছু তার স্মৃতি”।
বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলো কাছে অনুরোধ তারা যেন এই ছাত্র সমাজের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে । এবং তারা চলে যাওয়ার সময় যেন তাদের যে স্মৃতিগুলো রেখে যাবে সেগুলো যেন মধুর হয় । প্রবীন ব্যক্তিদের রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলো যেন কালিমাখা, ভঙ্গুর, পাপযুক্ত না হয়।
সর্বপুরি আমাদের বর্তমান ও আগামী ছাত্র সমাজ যেন এরকমে হয়। তারা যেন সত্যের সঙ্গে থাকে মিথ্যার সাথে নয়। তারা ভাল করুক ভাল থাকুক এবং সুন্দরভাবে আমাদের এই সমাজটাকে গড়ে তুলুক এটাই আমাদের কাম্য।


0 Comments